এবার শ্রমিকদের দারুন সুখবর দিল মালয়েশিয়াঃ জেনে নিন বিস্তারিত

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের অবৈধ অভিবাসীদের মালয়েশিয়া ত্যাগের সুযোগ দিলো মালয়েশিয়ার সরকার। আগামী ১ লা আগষ্ট থেকে ডিসেম্বরের ২০১৯ শেষ পর্যন্ত দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই সুযোগ পাওয়ার পরও যারা সে দেশে অবস্থান করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান অভিবাসন বিভাগ। মালয়েশিয়াা জুড়ে ইমিগ্রেশন অফিসে ৮০ টি কাউন্টার খোলা হবে। অবৈধ ব্যক্তিদের সরাসরি ইমিগ্রেশন অফিসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।

যা প্রয়োজন: অরজিনাল পাসপোর্ট। যাদের পাসপোর্ট নেই,দুতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে।

মালয় রিংগিত ৭০০ (১৪ হাজার টাকা) এবং নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার যেকোনো বিমানের একটি টিকিট সহ মালয়েশিয়ার পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশনে স্বশরীরে হাজির হয়ে জমা দিতে হবে। তবে মধ্যস্বত্তভোগী বা দালালের কাছে পাসপোর্ট ও টাকা দিয়ে প্রতারনার স্বীকার না হওয়ার জন্য দূতাবাস থেকে সতর্ক করা হয়েছে। যারা এই সুযোগে নিজ দেশে ফেরত যাবেন তাদের কে ব্ল্যাকলিষ্ট করা হবে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট এখনো কিছু জানা যায়নি।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তান শ্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানা গেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের ইমিগ্ৰেশন আইনের ১৯৫৯/৬৩ পাসপোর্ট আইনের ১৫৫ ও ১৫(১)সি ৬(১)সি আওতায় অবস্থান কারিরা এই সুযোগ পাবে। ঐ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, প্রতারণা থেকে সাবধান হতে এবং যেকোন এজেন্ট বা ভেন্ডার এর সঙ্গে টাকা লেনদেন না করার জন্য বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, মালয়েশিয়ার সরকার ২০১৬ এর ফেব্রুয়ারী মাসে শ্রমিক রি হায়ারিং ( পূনঃবৈধকরণ) প্রক্রিয়া চালু করেন এরপর প্রায় দীর্ঘ ২ বছর এই প্রক্রিয়াটি খোলা ছিল তারপর বৈধকরণ বন্ধ করে দেয় মাহাথির সরকার। এসময় লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী বৈধ হওয়ার সুযোগ পেলেও অসংখ্য অবৈধ শ্রমিক বৈধ হতে পারেন নি তারা কেউ কেউ টাকা পয়সা দিয়ে দালালের প্রতারনার স্বীকার হয়েছেন আবার কেউ অন্যন্যা জটিলতায় পড়েন। নতুন নিয়মে কলিং ভিসা চালুর আশ্বাস পাওয়া গেলেও অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করার কোন আশ্বাস দেয়নি মালয়েশিয়ার সরকার। মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব(শ্রম) জনাব হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।